সম্ভাবনাময় জুনাইদ হাসান
সফলতার
জগতে, যেখানে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং পরিশ্রম এর উপর সবকিছু নির্ভর করে, সেখানে একজন
অসাধারণ ব্যক্তি আছেন যিনি শুধুমাত্র অ্যাকাউন্টিং ক্যারিয়ার- এ সফলতা অর্জন
করেননি সেই সাথে ফ্রিল্যান্সারদের ভবিষ্যতের জন্য একটি সম্ভাবনাময় যাত্রা শুরু
করেছেন। জুনাইদ হাসান, একজন স্বপ্নদর্শী যিনি একটি তথাকথিত অ্যাকাউন্টিং ক্যারিয়ার
থেকে যুবসমাজকে অ্যাকাউন্টিং বিভাগে ফ্রিল্যান্সিং-এ উপযুক্ত করে তোলার জন্য একটি
অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠায় সফল হয়েছেন। তার মিশন গতানুগতিক
সীমানা অতিক্রম করে—বাংলাদেশ থেকে
বেকারত্ব দূর করা।
" জুনাইদ হাসান,
প্রতিষ্ঠাতা, QBO Hacks "
জুনাইদ
হাসান অ্যাকাউন্টিং এ তার কর্মজীবন শুরু করেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক
ব্যবস্থাপনার প্রতি অনুরাগ এবং বিশদ
বিবরণের প্রতি গভীর দৃষ্টি নিয়ে। কর্পোরেট সিঁড়িতে আরোহণ করে, তিনি আর্থিক ব্যবস্থাপনা
এবং বাজেটের ক্ষেত্রে অমূল্য অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এই চলার পথে, ফ্রিল্যান্সিং এর
সম্ভাবনাময় হাতছানি তার মধ্যে একটি নতুন পরিকল্পনার উদয় করেছিল।
ফ্রিল্যান্সিং-
এ আগ্রহীরা যে সকল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয় সেগুলো উপলব্ধি করে, জুনাইদ হাসান QBO
Hacks নামে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে প্রশিক্ষনার্থীদের প্রশিক্ষনের
পাশাপাশি সম্পূর্ণ বিশ্বের ফ্রিল্যান্সিং জগতের সাথে পরিচয় করানো হয়।
ফ্রিল্যান্সিং জগতে সফলতা অর্জনের জন্য তাদের তৈরি করা হয় সর্বোচ্চ বৈশিষ্ঠ্যের
অধিকারী হিসেবে।
"QBO Hacks - একটি বিশ্বস্থতার প্রতিষ্ঠান।"
- জুনাইদ হাসান
QBO Hacks
প্রতিষ্ঠানটি Applied Accounting Software এর প্রশিক্ষনের পাশাপাশি সম্প্রতি
ডিজিটাল মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এবং ওয়েব ডিজাইনিং এর উপর প্রশিক্ষন
কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
অবশ্যই! একটি সম্ভাবনাময় ফ্রিল্যান্সিং ট্রেইণিং ইনস্টিউট হিসেবে এই প্রতিষ্ঠান নির্বিঘ্নে উদ্ভাবনের সাথে দক্ষতার মিশ্রণ করে, অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার , ওয়েব ডিজাইনিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং-এ ব্যাপকভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করে যাচ্ছে। এই অগ্রগামী সংস্থাটি ফ্রিল্যান্সিং-এর সর্বদা পরিবর্তনশীল বিশ্বে সাফল্যের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের উপযোগী করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশেষ কোর্সের মাধ্যমে, অংশগ্রহণকারীরা অত্যাধুনিক অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে, ওয়েব ডিজাইনিং দক্ষতাকে আয়ত্ত করে এবং ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশলগুলির জটিলতাগুলি পেরিয়ে সফলতা বয়ে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জন করে। প্রশিক্ষণটি শুধুমাত্র তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদানের জন্য নয় বরং একটি ব্যবহারিক ক্ষেত্রে সফল করে তোলার জন্য, উচ্চাকাঙ্ক্ষী ফ্রিল্যান্সারদের প্রতিযোগিতামূলক ফ্রিল্যান্সিং জগতে উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে গড়ে তোলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
অফলাইনের পরিবর্তে অনলাইন প্রশিক্ষন কেন? এ বিষয়ে জানতে চাইলে QBO Hacks এর প্রতিষ্ঠাতা জুনাইদ হাসান বলেন,” অনলাইনে প্রশিক্ষন গ্রহণ করলে একজন প্রশিক্ষনার্থী প্রশিক্ষন গ্রহণের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং এর প্রথম শর্ত অনলাইনে ক্লায়েন্টের কাজ করে দেয়াটা খুব সহজেই শিখতে পারবে। তাছাড়া দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বসে প্রশিক্ষন নিতে পারবে”।
এ বিষয়ে
বিস্তারিত বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন,” যেহেতু ফ্রিল্যান্সিং জগতে বয়সের কোনো সীমা
নেই। সেই সাথে বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিরা এই কাজে আগ্রহী, তাই তাদের সুবিধার্থে
অনলাইন প্রশিক্ষন। এছাড়া তিনি আরও মনে করেন
অফলাইন প্রশিক্ষনার্থীদের চেয়ে অনলাইন প্রশিক্ষনার্থীদের পারফরম্যান্স এবং
রেজাল্ট ভালো আসে। অনলাইন ক্লাসে সরাসরি মেন্টরের কম্পিউটার মনিটর এ কাজ গুলো
দেখানোর পর যেহেতু বাসায় বসেই ক্লাসটি করছে সেখানে ক্লাসের পর সাথে সাথে অনুশীলনের
কারনে তাদের ক্লাসে করানো কাজটি মাথায় গেথে যায়। যেখানে অফলাইনে ক্লাস শেষে বাড়ি
গিয়ে মোটেও অনুশীলন করে হয়ে উঠে না। ক্লাসে আসা যাওয়া আড্ডা দেওয়ায় পরিনত হয়
মাত্র। অনেকেই আছেন যারা তাদের অন্যান্য কাজের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান। সেক্ষেত্রে
সারাদিনের কর্মকান্ড শেষে অনলাইনে রাত ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত মস্তিষ্ক সুস্থির
রেখে ক্লাসে মনোনিবেশ করা যায়, যেটা রাস্তাঘাটের যানজট পেরিয়ে এসে সম্ভব নয়। এর
পাশাপাশি অফলাইন ক্লাস করে অনেকেই আর রেকর্ডেট ক্লাস দেখে বাড়িতে অনুশীলন করার
আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। এতে করে প্রশিক্ষন নেয়ার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।
জুনাইদ
হাসান সক্রিয়ভাবে ফ্রিল্যান্সিং-এর সাথে জড়িত। তিনি ওয়েবিনার হোস্টিং এবং উদীয়মান
ফ্রিল্যান্সারদের পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। তিনি ইনস্টিটিউটটি-কে
ফ্রিল্যান্সারদের সাথে সংযোগ স্থাপন, প্রশিক্ষন এবং একসাথে বেড়ে উঠার একটি কেন্দ্র
হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
প্রতিষ্ঠান নিয়ে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা
জানতে চাইলে উদীয়মান উদ্যোক্তা জুনাইদ হাসান বলেন তিনি QBO Hacks কে ‘বিশ্বস্থতার
প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। যেখানে ফ্রিল্যান্সিং-এ আগ্রহী ব্যক্তিরা বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন গ্রহন করার পর মার্কেটপ্লেসে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন
কিভাবে কাজ পাবেন, সেখানে জুনাইদ হাসান ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে প্রশিক্ষনার্থীদের
মার্কেটপ্লেসে কাজ করার জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী করে তোলায় বিশ্বাসী।সম্পূর্ণ
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে তিনি নিজে মেন্টর হিসেবে কাজ করেন অথবা সার্বক্ষনিক তদারকি
করেন।
এই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন
নেতা এমন একটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন যেখানে যুবক এবং
চাকরিপ্রার্থী ব্যক্তিরা প্রথাগত কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতার দ্বারা আবদ্ধ না থেকে বরং
ফ্রিল্যান্সিং জগতে উন্নতির জন্য দক্ষতা ও জ্ঞানের দ্বারা এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
ফ্রিল্যান্সিং-এর যুগান্তকারী সম্ভাবনা বোঝার জন্য, এই ব্যক্তি ব্যাপক প্রশিক্ষণ
প্রোগ্রাম প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যা অংশগ্রহণকারীদের ডিজিটাল জগতে বিচরণ
করতে এবং সফল ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে
সকল কোর্সগুলো সাজিয়েছেন। উদ্ভাবন, আত্মনির্ভরশীলতা এবং অভিযোজনযোগ্যতার চেতনাকে
উৎসাহিত করার মাধ্যমে, তার লক্ষ হল দক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের একটি প্রজন্ম তৈরি করা
যারা অর্থনীতিতে অর্থপূর্ণভাবে অবদান রাখতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের
কর্মসংস্থানের জগতকে নতুন আকার দিতে পারে। অটল দৃঢ়সংকল্প এবং একটি
অগ্রগতি-চিন্তামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে, জুনাইদ হাসান দেশের যুবকদের অব্যবহৃত
সম্ভাবনাকে উন্মোচন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।


Comments
Post a Comment